কম ঘুমালে যা হয়

আপডেট : ১৫ আগস্ট ২০২৪, ০২:৩৬ এএম

একজন সুস্থ মানুষের দিনে অন্তত ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমানো দরকার। এর থেকে কম ঘুমালে শরীর ও মনের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে। এমনকি পিছু নিতে পারে একাধিক জটিল অসুখ। এখন অনেকের জীবনে অতিরিক্ত কাজের চাপ থাকে। তাই তারা চাইলেও ৭ ঘণ্টাও ঘুমাতে পারেন না। দিনের পর দিন কম ঘুমানোর কারণে শরীরে বাসা বাঁধে নানা রোগ। তাই চেষ্টা করুন সময় পেলে একটু ঘুুমিয়ে নিতে।

ঘুমের মধ্যেই আমাদের শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গগুলো বিশ্রাম পায়। তাই ঠিকঠাক ঘুম হলে আমরা সকালে উঠে একবারে নতুন করে এনার্জেটিক জীবন কাটাতে পারি। মনে রাখবেন, ঘুম কম হলে ঠিক তার উল্টো ঘটনা ঘটবে। এক্ষেত্রে ঘুম ভেঙে ওঠার পরও এনার্জি মিলবে না। আবার বিছানায় শুয়ে পড়ার জন্য মন কেমন কেমন করবে। এমনকি কোনো কাজে বসবে না মন। তাই এনার্জেটিক জীবন কাটাতে চাইলে রোজ অন্ততপক্ষে ৭ ঘণ্টা ঘুম হলো মাস্ট।

কম ঘুমালে বদলে যেতে পারে মুড। আর মুড অফ থাকলে তার প্রভাব পড়তে পারে কাজকর্মে ও ব্যবহারে। তাই চেষ্টা করুন অন্তত ৭ ঘণ্টা ঘুমাতে। ঘুম ঠিকঠাক হলে স্মৃতিশক্তি ভালো থাকে। অপরদিকে আপনি যদি পর্যাপ্ত সময় না ঘুমান, তাহলে স্মৃতিশক্তি আস্তে আস্তে কমতে থাকে। বিশেষত, তাৎক্ষণিক জিনিস মনে রাখতে সমস্যা হতে পারে। অর্থাৎ বাজারে গিয়ে হয়তো ভুলে গেলেন কী কিনতে এসেছেন। কিংবা ঘরের বা গাড়ির চাবি কোথায় রেখেছেন, তা ভুলে যেতে পারেন। তাই এই বিপদ এড়াতে চাইলে পর্যাপ্ত ঘুমানোর চেষ্টা করুন।

শরীরের ইমিউনিটি সিস্টেম ভালো না

থাকলে রোগব্যাধি বাসা বাঁধতে পারে। তাই বিশেষজ্ঞরা সবসময় ইমিউনিটি চাঙ্গা রাখার পরামর্শ দেন। কিন্তু মুশকিল হলো, প্রতিদিন পর্যাপ্ত সময় ঘুম না হলে ইমিউনিটিও কমে যায়। যার ফলে শরীরে হানা দিতে পারে একাধিক ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া। তাই সুস্থ থাকতে নিয়মিত ঘুমাতে হবে। ঘুম কম হলে বাড়তে পারে দুশ্চিন্তা। সেই সঙ্গে ওজন বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কাও থাকে। 

ভালো ঘুমের জন্য যা করবেন

রাত ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে ঘুমাতে চলে যান। ঘুমানোর ১ ঘণ্টা আগে মোবাইল, কম্পিউটার থেকে দূরত্ব বাড়িয়ে নিন। বিছানায় শুয়ে বই পড়তে পারেন। ঘরে ছোট একটা ডিমলাইট জ্বালান। অথবা ঘর অন্ধকার করে শুয়ে পড়ুন। নিশ্চিত করুন ঘরে যেন আওয়াজ না ঢোকে। এরপরও ঘুম না এলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত