দেশের পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) কাঠামোর জরুরি সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।
এসময় তিনি সতর্ক করে বলেন, এই প্রকল্পের সংস্কার না হলে এ খাত স্থবিরতার মুখে পড়বে।
শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় স্থানীয় একটি প্রত্রিকার এক মতামত নিবন্ধে আশিক চৌধুরী উল্লেখ করেন, দুর্বল বাস্তবায়ন ও সুযোগ হারানোর কারণে পিপিপি তার প্রত্যাশিত সাফল্য অর্জন করতে পারছে না। যদিও অবকাঠামো উন্নয়নে এর অপার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিডার চেয়ারম্যান বলেন, এক দশকের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও পিপিপি অথরিটি কার্যকর অগ্রগতি দেখাতে পারেনি-সংস্কার ও দক্ষতা ছাড়া এটি আরেকটি অপূর্ণ স্বপ্নে পরিণত হতে পারে।
তিনি পিপিপি অথরিটিকে আরও শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর অধীনে আনা, প্রকল্প কাঠামোতে কারিগরি সক্ষমতা বাড়ানো এবং সরকারি-বেসরকারি খাত থেকে দক্ষ জনবল অন্তর্ভুক্ত করার ওপর জোর দেন। এছাড়া তিনি প্রস্তাব দেন, পিপিপি অথরিটিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বা অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে আনলে কার্যকারিতা ও প্রভাব বৃদ্ধি পাবে।
ঢাকা বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ের মতো সাফল্যের উদাহরণ টেনে আশিক চৌধুরী বলেন, সঠিকভাবে পরিকল্পিত ও বাস্তবায়িত হলে পিপিপি বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখতে পারে।
