আজ বিকালে গণতান্ত্রিক আইনজীবী সংহতির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সভায় বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেছেন, সরকারের রাজনৈতিক প্রভাব ও হস্তক্ষেপ মুক্ত না হলে বিচার বিভাগের কোন সংস্কারই ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারবে না।তিনি বলেন, ইতিমধ্যে বিচার ব্যবস্থার সংস্কারের অনেক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে বেশকিছু সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। কিন্তু বিচার বিভাগকে এখনও জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী উপযুক্ত ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে না। ন্যায্য বিচার পাওয়ার আশায় লক্ষ লক্ষ মানুষকে এখনও হাহাকার করতে হয়।
সেগুনবাগিচায় সংহতি মিলনায়তনে এই প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
তিনি ক্ষোভের সাথে বলেন, সব সরকারই কোন না কোনভাবে বিচার ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়েও তার বড় দাগের কোন পরিবর্তন হয়নি।
তিনি বলেন, বিচার বিভাগ জনগণের শেষ ভরসার যায়গা। অথচ তাকে রাজনৈতিক বিরোধীদের হয়রানি উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ছাড়া দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে না।
বহ্নিশিখা জামালী বলেন, আইনের চোখে সবাই সমান বলা হলেও বাস্তবে সাধারণ মানুষ ন্যায্য বিচার থেকে বঞ্চিত। তিনি সাধারণ মানুষের বিচার পাবার অধিকার প্রতিষ্ঠা করার দাবি জানান।
সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট মাহবুবুল করিম টিপুর সভাপতিত্বে ও এডভোকেট ফায়েজুর রহমান মনির এর সঞ্চালনায় এই সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য আকবর খান, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শেখ রফিকুল ইসলাম, এড.পিয়াস মজুমদার, এড.সোমেন মজুমদার বিদ্যুৎ, এড.অমিত মজুমদার, এড.এ এইচ এম হাসিবুজ্জামান, এড, মায়মুনা করিম টপি, মীর রেজাউল আলম, বিপ্লব হোসেন খান প্রমুখ।
প্রতিনিধি সভায় এড মাহবুবুল করিম টিপুকে আহবায়ক ও এড ফায়েজুর রহমান মনিরকে সদস্যসচিব নির্বাচিত করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট গণতান্ত্রিক আইনজীবী সংহতির আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়।
সভার শুরুতে ছাত্র শ্রমিক জনতার গণ অভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট দাঁড়িয়ে নিরবতা পালন করা হয়।
