ভারতের সবচেয়ে বিপজ্জনক স্পিনার বরুন চক্রবর্তীর রহস্যভেদ করে ফেলেছেন ডেভিড মিলার। গতকাল রাতে সুপার এইটের ম্যাচে মিলারের জবাব ছিল না বরুণের কাছে। কিন্তু কীভাবে তিনি এই রহস্যভেদ করলেন? বরুণের বিরুদ্ধে মিলারের পরিকল্পনা ছিল সরল, কিন্তু কার্যকর। অতিরিক্ত জটিলতায় না গিয়ে বলের গুণাগুণ বিচার করে খেলেই তিনি সফল হয়েছেন।
আহমেদাবাদে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ৭৬ রানে হেরে ভারতের সেমিফাইনালে ওঠার পথ অনেকটাই জটিল হয়ে গেছে। ম্যাচে আগে ব্যাট করে দক্ষিণ আফ্রিকা ৭ উইকেটে ১৮৭ রান তোলে। দলের হয়ে ডেভিড মিলার করেন ৬৩ রান। ম্যাচ শেষে মিলার বলেন, ‘আমরা আমাদের পরিকল্পনার প্রতি সচেতন ছিলাম। চেষ্টা করেছি বাজে বল এলে তা পুরোপুরি কাজে লাগাতে।’
মিলার বলেন, ‘আজ বরুনের বল বেশি ঘুরছিল না। তাই ওর বলের লাইন বুঝতে খুব একটা অসুবিধা হচ্ছিল না। আমি শুধু অপেক্ষা করলাম, প্রতিক্রিয়া দেখালাম, এবং সরাসরি আক্রমণ করি। আমার নিয়ম ছিল- অপেক্ষা কর, সঠিক স্পট বেছে নাও, এবং পঞ্চিং কর। ওকে সুইপ করতে সহজ হচ্ছিল।’
ম্যাচের পরিসংখ্যানও মিলারের পরিকল্পনার সাফল্যের প্রমাণ পাওয়া যায়। মিলার তিনটি ছক্কাই লং-অন অঞ্চলের দিকে মেরেছেন। মিলার যখন মিড-উইকেটে একের পর এক ড্রাইভ খেলছিলেন, তখন বরুণ আরও বেশি করে ফুলার লেন্থে বল করেন। মিলার চতুর্থ ওভারে আউট হলেও ততক্ষণে ক্ষতি যা হওয়ার হয়ে যায়। বরুনের দুর্বল দিনটি পুরোপুরি মিলারের ধৈর্য, সংবেদনশীলতা এবং সঠিক পরিস্থিতি কাজে লাগিয়ে নিজের করে নেন মিলার।
ভাইরাল ভিডিওর কারণে শাস্তি পেতে হচ্ছে না মেসিকে
অতিরিক্ত গতির কারণে ড্রাইভিং নিষেধাজ্ঞায় ম্যান ইউ তারকা