রাজধানীর তুরাগ কামারপাড়ায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে ১০ জন দগ্ধের ঘটনায় চিকিৎসাধীন আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। তার নাম এনায়েত (৩২)। এনিয়ে মারা গেলেন ২ জন।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে তার মৃত্যু হয়। এর আগে, রবিবার মারা গেছেন অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ সোনিয়া আক্তার (২৫)।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান। তিনি জানান, শ্বাসনালীনহ শরীরের ৪৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল এনায়েতের। আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই তার মৃত্যু হয়েছে।
এর আগে, শুক্রবার ভোর সাড়ে ৩টার দিকে তুরাগ থানাধীন উত্তরা ১০ নং সেক্টর কবরস্থান রোড মেম্বার বাড়ির পাশে আবুল কালামের বিল্ডিংয়ের ২য় তলায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
এতে দগ্ধ হন, রুবেল (৩০), তার স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা সোনিয়া আক্তার (২৫), মেয়ে রোজা (৩), সোনিয়ার বড় বোন
রিয়া (২৭)।
রুবেলের চাচাতো ভাই এনায়েত (৩২), তার স্ত্রী দেলেরা (২৮), ছেলে জুনায়েদ (১০), এনায়েতের ছোট ভাই হাবিব (৩০), এনায়েতে ভাগনি আয়েশা (১৯)। এছাড়া রুবেল (৩৫) নামে আরও একজন দগ্ধ হন।
এনায়েতের ভাগিনা সাজেদ মাতব্বর জানান, ২য় তলার ওই বাসাটিতে থাকেন রুবেল-সোনিয়া দম্পতি। রুবেল মোটরসাইকেল রাইড শেয়ার করেন। রুবেলের চাচাতো ভাই এনায়েত দুবাই প্রবাসী। কিছুদিন আগে দেশে ফিরেছেন। তাদের বাড়ি মাদারীপুর শীবচর উপজেলায়।
তিনি জানান, এনায়েত পরিবার নিয়ে গ্রাম থেকে তুরাগে চাচাতো ভাই রুবেলের ওই বাসায় বেড়াতে এসেছিলেন। একই বাড়ির ৪ তলায় থাকেন সাজেদ মাতুব্বর। ওইদিন ভোর রাত সাড়ে ৩টার দিকে ২য় তলার বাসায় বিস্ফোরণ হয়। বিকট শব্দ শুনে সবাই বেরিয়ে দেখেন, ভবনের নিচ তলা ও ২য় তলার দেয়াল ভেঙ্গে গেছে। বাসাটিতে থাকা ১০ জনই আগুনে পুড়ে গেছে। সঙ্গে সঙ্গে তাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।
টিএসসিতে নারী হেনস্তার ঘটনায় ঢাবির ৩ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার