বিশ্বকাপে কৃত্রিম প্রযুক্তির ব্যবহার

আপডেট : ১৫ জুন ২০২৬, ০১:৫৪ এএম

চিকিৎসা, শিক্ষা কিংবা শিল্পকলার মতো ফুটবলও এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) স্পর্শে বদলে যাচ্ছে। ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি নেপথ্যে কাজ করবে উন্নত প্রযুক্তির এক বিশাল জগৎ। রেফারির সিদ্ধান্ত থেকে শুরু করে দলের কৌশল নির্ধারণ, খেলোয়াড়দের ফিটনেস পর্যবেক্ষণ এবং দর্শকদের নিরাপত্তা সবখানেই থাকবে এআইয়ের সক্রিয় উপস্থিতি।

অ্যাডিডাসের নতুন ম্যাচ বল ‘ট্রাইওন্ডা’তে বসানো সেন্সর বলের গতি, স্পর্শ ও অবস্থান সম্পর্কে তাৎক্ষণিক তথ্য পাঠাবে। স্টেডিয়ামের উচ্চগতির ক্যামেরা ও এআই প্রযুক্তি খেলোয়াড়দের শরীরের বিভিন্ন বিন্দু বিশ্লেষণ করে দ্রুত ও নির্ভুল অফসাইড সিদ্ধান্ত দিতে সহায়তা করবে। একই সঙ্গে ডিজিটাল অ্যাভাটারের মাধ্যমে বিতর্কিত মুহূর্তগুলো দর্শকদের সামনে আরও সহজভাবে তুলে ধরা হবে।

মাঠের বাইরে এআই প্রতিপক্ষের কৌশল বিশ্লেষণ, টাইব্রেকারের সম্ভাব্য প্রবণতা মূল্যায়ন এবং খেলোয়াড়দের চোটের ঝুঁকি শনাক্ত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দর্শক ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্টেডিয়ামের ডিজিটাল প্রতিরূপ ব্যবহার করা হবে। এমনকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক মন্তব্য শনাক্ত করেও ব্যবস্থা নেবে এআই।

তবু প্রযুক্তি যতই উন্নত হোক, ফুটবলের আসল সৌন্দর্য থেকে যাবে মানুষের আবেগ, উল্লাস আর অনিশ্চয়তার মধ্যেই।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত