আবার ইতিহাসে টেইলর

আপডেট : ১৫ জুন ২০২৬, ০২:২১ এএম

টেইলর সুইফটকে বলা হয় পাশ্চাত্য জীবনের সংগীতের রানী। অ্যাওয়ার্ডের রানীও বলা হয় তাকে। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অনেক অর্জন ও রেকর্ড তার দখলে। গায়িকা হিসেবে তিনি গ্র্যামি, বিলবোর্ড, কান্ট্রি মিউজিক অ্যাওয়ার্ডসহ বিশ্বের সেরা সব সম্মাননা পেয়েছেন। সেই ধারাবাহিকতায় ফের ইতিহাসের পাতায় টেইলর। সর্বকনিষ্ঠ নারী গীতিকার হিসেবে মাত্র ৩৬ বছর বয়সে মর্যাদাপূর্ণ সংরাইটারস হল অব ফেমে যুক্ত হওয়ার গৌরব অর্জন করলেন টেইলর সুইফট। বিরল এই অর্জনে আপ্লুত সুইফট, অশ্রুসিক্ত হয়ে দিয়েছেন দীর্ঘ ২১ মিনিটের বক্তব্য। যেখানে নিজের এমন সাফল্যের পেছনে পুরো কৃতিত্ব দিয়েছেন পরিবারকে। গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিত হয় ‘সংরাইটারস হল অব ফেম’-এর নতুন আসর। অনুষ্ঠানে সম্মান গ্রহণের পর প্রতিক্রিয়া জানান সুইফট। স্মৃতিচারণ করে জানান, যখন তার বয়স ছিল মাত্র ১৪ বছর, তখন তার পরিবার পেনসিলভানিয়া ছেড়ে ন্যাশভিলে চলে যায়। সেখানেই তার গানের পথচলা গতি পায়। যদিও নতুন পরিবেশে গিয়ে সব সামলে নিতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছিল তাদের।

আপ্লুত কণ্ঠে সুইফট বলেন, ‘শব্দ নিয়ে কাজ করাই আমার পেশা, কিন্তু তোমরা (বাবা, মা ও ভাই) আমার জন্য যা করেছ, তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার ভাষা আমি কখনো খুঁজে পাব না। আজ আমি এখানে দাঁড়িয়ে আছি শুধু তোমাদের কারণেই।’ তিনি জানান, তার জীবনে একটা বিষয়ই স্বাভাবিকভাবে চলে এসেছে, তা হলো গীতরচনা। গায়িকা বলেন, ‘আমি যখন বলি গীতরচনা আমার জন্য সহজ ছিল, তখন আসলে বলতে চাই, এটি ছিল একেবারে সহজাত। কেউ কখনো আমাকে গান লেখা শেখায়নি। দর্শকদের বিনোদন দিতে শিখতে হয়েছে, নাচের কোরিওগ্রাফি আয়ত্ব করতে হয়েছে, শিল্পজগতের নানা জটিলতা বুঝতে হয়েছে এবং কঠিন অভিজ্ঞতা, অসংখ্য ভুল-শুদ্ধের পরীক্ষা, বিশৃঙ্খলা ও প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে নিজের মানসিক সুস্থতাকে রক্ষা করতে শিখতে হয়েছে। কিন্তু গান লেখা ছিল এমন একটি বিষয়, যা আমি স্বাভাবিকভাবেই করতে পেরেছি।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত