আমার প্রিয় ব্যক্তি বাবা। আমার বাবাকে সবসময় জীবনের সত্যিকারের ‘সুপার হিরো’ হিসেবেই দেখি। কারণ, বাবা আর আমি অনেক মজা করি। বাবা আমাকে সবসময় রাখে। গাছের মতো ছায়া দিয়ে রাখে। আমি প্রথম হাঁটতে শিখেছি বাবার হাত ধরে। বাবা পাশে থাকলে সবকিছু সহজ মনে হয়। তিনি আমার প্রিয় দলের জার্সি, পতাকা, বাঁশি, মাথার ফিতা, ব্যাজ বিশ^কাপ শুরু হওয়ার আগেই কিনে দিয়েছেন। বাবার সঙ্গে গভীর রাতে টিভিতে বিশ^কাপ খেলা দেখতে আনন্দ লাগে। ছবি আঁকা, আবৃত্তি, পড়াশোনা করতে অনেক সাহায্য করেন। স্কুল ছুটির দিনগুলোতে পার্কে ঘুরতে নিয়ে যান। বাগান করা, খেলাধুলা করায় সাহায্য করেন। বইমেলায় নিয়ে গিয়ে প্রিয় বই কিনে দেন। বাবা আমার যতœ নেন। পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে বা যেকোনো সমস্যায় সবকিছু করেন। কোনো ভুল করলে বকা দেন, আবার আদর করে তা বুঝিয়ে দেন। তিনি সবসময় বলেন, ‘বড় হওয়ার চেয়ে সততা দিয়ে ভালো মানুষ হওয়া বেশি জরুরি।’ বাবা শিখিয়েছেন সৎকাজ ও সত্য কথা বলতে। বাবা আমার জন্মদিনে প্রতি বছর গাছের চারা বিতরণ করেন। গাছ আমাদের অক্সিজেন দেয়। এমনকি তার জন্মদিনও পালন করেন সুবিধাবঞ্চিত পথশিশুদের নিয়ে। সেদিন তাদের নিয়ে কেক কাটা হয়। তিনি কঠোর পরিশ্রম করে, আমরা যেন সুখে থাকতে পারি। তাই আমার বাবা আমার কাছে সুপার হিরো। বাবা তোমাকে ধন্যবাদ। আমি বাবাকে খুব ভালোবাসি এবং তার মতোই একজন ভালো মানুষ হতে চাই।
রুদ্রদীপ পাল
শিক্ষার্থী, দ্বিতীয় শ্রেণি, টংগিবাড়ী সানরাইজ কিন্ডারগার্টেন, টংগিবাড়ী, মুন্সীগঞ্জ