২০২৭ সালের ছুটির তালিকা প্রকাশ করেছে সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এ তালিকা অনুযায়ী আগামী বছর পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পাঁচ দিন এবং পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ছয় দিন ছুটি থাকবে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী বছরের ১০ মার্চ পবিত্র ঈদুল ফিতর এবং ১৭ মে ঈদুল আজহা হতে পারে। এ ছাড়া শারদীয় দুর্গাপূজায় ২ দিন ছুটি থাকবে। মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর গতকাল বৃহস্পতিবার প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ ছুটির তালিকা প্রকাশ করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। গত ২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে আগামী বছরের ছুটির তালিকা অনুমোদন দিয়েছিল মন্ত্রিসভা।
ছুটির তালিকা অনুযায়ী ১৫ দিন সাধারণ ছুটি এবং ১৪ দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। তবে, ওই ছুটির মধ্যে মোট সাত দিন সাপ্তাহিক ছুটি পড়েছে। এর ফলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ছুটি ভোগ করবেন কার্যত ২২ দিন।
ঘোষিত ছুটির তালিকা অনুযায়ী ১৫ দিন সাধারণ ছুটির মধ্যে রয়েছে ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, জুমাতুল বিদা (৫ মার্চ), ঈদুল ফিতর (১০ মার্চ), ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, ১৩ এপ্রিল চৈত্রসংক্রান্তি (শুধু রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলার জন্য প্রযোজ্য), মে দিবস (১ মে), পবিত্র ঈদুল আজহা (১৭ মে), বুদ্ধপূর্ণিমা (২০ মে), জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ৫ আগস্ট, ১৫ আগস্ট পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.), ২৫ আগস্ট জন্মাষ্টমী, ১০ অক্টোবর বিজয়া দশমী, ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস, ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস এবং ২৫ ডিসেম্বর যিশুখ্রিস্টের জন্মদিন (বড়দিন)।
এবার নির্বাহী আদেশে মোট ছুটি ১৪ দিন। এর মধ্যে পবিত্র শবে বরাত (২৪ জানুয়ারি), পবিত্র শবে কদর (৭ মার্চ), পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগের দুই দিন ও পরের দুই দিন (৮ মার্চ, ৯ মার্চ এবং ১১ ও ১২ মার্চ), বাংলা নববর্ষ (১৪ এপ্রিল), ঈদুল আজহার আগের দুই দিন ও পরের তিন দিন (১৫ মে ও ১৬ মে এবং ১৮, ১৯ ও ২০ মে), পবিত্র আশুরা (১৬ জুন) এবং শারদীয় দুর্গাপূজার নবমী (৯ অক্টোবর)।
এবার ঐচ্ছিক ছুটির মধ্যে মুসলিম পর্বের মধ্যে আছে পবিত্র শবে মিরাজ, ঈদুল ফিতরের পরের তৃতীয় দিন, ঈদুল আজহার পরের চতুর্থ দিন, আখেরি চাহার সোম্বা ইত্যাদি। এ ছাড়া হিন্দু পর্বের মধ্যে আছে শ্রীশ্রী সরস্বতী পূজা, দোলযাত্রা ইত্যাদি। খ্রিস্টান পর্বের মধ্যে আছে ইংরেজি নববর্ষ, বৌদ্ধ ধর্মের মধ্যে আছে মাঘী পূর্ণিমার মতো কিছু দিবস।