ঝড়-বৃষ্টি, বন্যা-খরা, শীত কিংবা তাপ প্রবাহসহ নানা অজুহাতে বাজারে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ানোর চর্চা অনেকদিন ধরেই চলছে। এবার বিক্রেতাদের জন্য অজুহাত হয়ে এসেছে কয়েকদিন ধরে চলা বৃষ্টি ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের বন্যা। এমন অজুহাতে বাজারে প্রতিটি পণ্যের দাম বেড়েছে।
ময়মনসিংহের বাজারে কাঁচা মরিচের ঝাল যেন ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। তবে সেটি স্বাদে নয়, বরং দামে। কেজি প্রতি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৫শ’ থেকে ৬শ’ টাকা পর্যন্ত। সপ্তাহ জুড়ে টানা বৃষ্টির মধ্যে বাড়তে থাকে মরিচের দাম। আর এতে করে দিশেহারা ক্রেতারা।
বিক্রেতারা বলছেন, ভারী বৃষ্টিপাত ও বন্যার কারণে সরবরাহের ঘাটতি থাকায় বেড়েছে কাঁচা মরিচের দাম। সপ্তাহখানেক আগেও বাজারে ১৮০-২২০ টাকা কেজি দরে কাঁচা মরিচ কেনা যেত। গত সপ্তাহজুড়ে টানা বৃষ্টি ও কয়েকটি জেলায় বন্যার মধ্যে বাড়তে থাকে মরিচের দাম।
বৃহস্পতিবার খুচরা বাজারে সর্বোচ্চ ৬শ’ টাকার বেশি কেজি দরে মরিচ বিক্রি হয়েছে।
শুধু কাঁচা মরিচ নয়, বাজারে অন্যান্য সবজির দামও বেড়েছে। চলতি সপ্তাহে সবজির দাম কেজিতে ৪০ থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ময়মনসিংহের মেছুয়া বাজার, নতুন বাজার, সানকিপাড়া বাজার ও মিন্টু কলেজ বাজারের ক্রেতা ও বিক্রেতাদের কাছ থেকে এসব পাওয়া যায়।
বেশি দামে মরিচ কেন বিক্রি হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে বিক্রেতারা বলেন, কয়েক দিন ধরে বৃষ্টি হচ্ছে। কয়েকটি জেলায় বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে অনেক সবজির বাগান নষ্ট হয়ে গেছে। তাই কাঁচা মরিচসহ সবজির দাম বাড়তি।
ব্যবসায়ী মিথুন আব্দুল্লাহ বলেন, ১৫দিন আগেও কাঁচা মরিচসহ সবজির দাম কিছুটা কম ছিল। কিন্তু চলতি সপ্তাহে দাম অনেক বেড়েছে। ২০০ গ্রাম মরিচ কিনেছি ১৪০ টাকায়। বৃষ্টি ও বন্যার অযুহাতে এমন দাম বৃদ্ধি কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না।
লামিয়া বলেন, গত সপ্তাহে মরিচের দাম কম ছিল। এক সপ্তাহেই দাম প্রায় দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। বৃহস্পতিবার সাড়ে ৫শ’ টাকা দরে কাঁচা মরিচ কিনেছি। দাম বাড়বে মানে যদি সেটা দ্বিগুণ হয়, তাহলে বুঝতে হবে সিন্ডিকেটের কারণে এটা হয়েছে।
ফয়জুর রহমান আলজিয়া নামে এক ক্রেতা বলেন, দাম বেশি ও নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে ১০০ গ্রাম করে মরিচ কিনি। আজ ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতার কাছ থেকে ১০০ গ্রাম মরিচ কিনেছি ৭০ টাকায়।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে সব ধরনের সবজির দামও বেড়েছে। বেশিভাগ সবজি ৮০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে অধিকাংশ সবজির দাম ৭০ থেকে ৮০ টাকা। কিছু কিছু আবার শতকের ঘরও ছাড়িয়েছে।
বাজারে বেগুন ১০০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৯০ টাকা, কচু ৭০ টাকায় প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া, পেঁপে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, লাউ আকৃতিভেদে ৮০ থেকে ১০০ টাকা, শসা ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লেবুর হালি ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
সুদানে বিদ্রোহীদের ওপর বিমান হামলা, অভিযোগ অস্বীকার মিশরের
ফ্ল্যাটে ঢুকে দীপ্ত টিভির কর্মকর্তাকে হত্যা, প্রকৌশলীসহ ৩ জন আটক
পতনের পর বরিশালে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে প্রথম মামলা
সেনাপ্রধানের সঙ্গে বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ
‘কাঁচা মরিচ কিনে টাকা শেষ হয়ে গেছে’