সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা

কবি হেলাল হাফিজকে মরণোত্তর রাষ্ট্রীয় পদক দিতে কাজ করবে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়

আপডেট : ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৩:৩৩ পিএম

গতকাল শুক্রবার মারা গেছেন দ্রোহ আর প্রেমের কবি হেলাল হাফিজ। আজ রাজধানীর বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে প্রথম জানাজা সম্পন্ন হয়েছে কবির।

কবি হেলাল হাফিজকে মরণোত্তর একুশে পদক বা স্বাধীনতা পুরস্কারের মতো রাষ্ট্রীয় পদক দেওয়া যায় কি না, সে জন্য সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় কাজ করবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

সকালে বাংলা একাডেমীতে হেলাল হাফিজের প্রথম জানাজায় অংশ নিয়ে এ কথা জানান তিনি।

জানাজা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, ‘কবি হেলাল হাফিজকে মরণোত্তর একুশে পদক বা স্বাধীনতা পুরস্কারের মতো রাষ্ট্রীয় পদক দেওয়া যায় কি না, সে জন্য সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে যা যা করার আছে, তা করা হবে। এ বিষয়ে আপনারা দ্রুত কিছু শুনবেন।‘

ফারুকি বলেন, ‘কবি হেলাল হাফিজের খুব বেশি বই বের হয়নি। কিন্তু তারুণ্য ও যৌবনের গান বললেই হেলাল হাফিজের কথা মনে পড়ে। এটি তাঁর অর্জন। বাংলাদেশের সংস্কৃতিজগৎ তাঁর শূন্যতা বোধ করবে। এক বইতেই তিনি সংস্কৃতিতে তাঁর অবস্থান চিরস্থায়ী করে গেছেন।‘

হেলাল হাফিজ তাঁর কবিতাতেই বেঁচে থাকবেন মন্তব্য করে সংস্কৃতি উপদেষ্টা বলেন, ‘তাঁর কবিতাই তাঁকে বাঁচিয়ে রাখবে। তবে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের কী কী দায়িত্ব আছে, কবি হেলাল হাফিজকে নিয়ে কী কী করা যায়, কী করণীয় আছে, তা নিয়ে কাজ করা হবে। আমি নিশ্চিত, আপনারা দ্রুত কিছু শুনবেন।’

কবি হেলালের অসমাপ্ত পাণ্ডুলিপি থাকলে বাংলা একাডেমি বের করবে জানিয়ে ফারুকি বলেন, ‘হেলাল হাফিজকে আমরা একুশে পদক বা স্বাধীনতা পুরস্কার কখনোই দিইনি। উনি এটি পাওয়ার জন্য লেখেননি কিন্তু এটি দেওয়াটা জাতির দায়িত্ব ছিল। এ বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে আমাদের সংষ্কৃতি মন্ত্রণালয়ের কী করার আছে, আমরা সেটা দেখব।’

জানাজায় আরও উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আজম, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজমসহ অন্যরা। জানাজা শেষে প্রয়াত হেলাল হাফিজের প্রতি বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত