চলতি বছরের শুরুতেই ঘোষণা করা হয় ২০২৩ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা। কিন্ত ঘোষণার পর থেকেই বিভিন্ন বিভাগে বিচারকদের সুপারিশ উপেক্ষা এবং নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও এবারের পুরস্কার নিয়ে চলছে সমালোচনা ও চুলছেড়া বিশ্লেষণ। ফলে পুরো প্রজ্ঞাপনই এখন পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ নিয়েছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।
বিষয়টি ঘিরে চলচ্চিত্র অঙ্গনে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা। ধারণা করা হচ্ছে, বদলে যেতে পারে পুরস্কারের তালিকা। বিশেষ করে আজীবন সম্মাননা ও সেরা চিত্রনাট্যসহ কয়েকটি বিভাগ নতুন করে খতিয়ে দেখা হবে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এরইমধ্যে জুরিবোর্ডের সদস্যদের সঙ্গে মৌখিকভাবে যোগাযোগ শুরু হয়েছে। খুব দ্রুতই পুরস্কারের তালিকা রিভিউ করার প্রক্রিয়া শুরু হবে। সবচেয়ে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে আজীবন সম্মাননা বিভাগকে ঘিরে। ঘোষিত তালিকায় ছিলেন প্রয়াত চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ এবং চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক আবদুল লতিফ বাচ্চু। কিন্তু জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের শর্ত অনুযায়ী আজীবন সম্মাননা শুধুমাত্র জীবিত ব্যক্তিদের দেওয়ার কথা। অথচ প্রজ্ঞাপন প্রকাশের আগেই এই দুই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে, যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এছাড়া ‘রক্তজবা’ চলচ্চিত্রে চিত্রনাট্য না লেখার পরও একজনকে সেরা চিত্রনাট্য পুরস্কার দেওয়ার অভিযোগও সামনে এসেছে।
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার কমিটির সদস্য মকসুদ জামিল মিন্টু গণমাধ্যমে বলেন, বিচারকরা পুরস্কারের ফলাফলে একমত ছিলেন। কিন্তু প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পর দেখা গেছে, কয়েকটি ক্ষেত্রে বিচারকদের সুপারিশ পুরোপুরি প্রতিফলিত হয়নি। বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হলে ভালো হবে বলে তিনি মনে করেন।
নিকার গঠন করে প্রজ্ঞাপন, আছেন যারা
বায়ুদূষণে ঢাকা আজ দ্বিতীয়
দুবাইয়ে আটকা পড়া বিমানের ২৭ ক্রুকে ফিরিয়ে আনল ইউএস-বাংলা