পদ্মা সেতুতে স্বস্তি, মাওয়া প্রান্তে বাড়ছে ঘরমুখো মানুষের চাপ

আপডেট : ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৩:৪২ পিএম

পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরকে সামনে রেখে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়তে শুরু করেছে পদ্মা সেতুতে। তবে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের যানজট ছাড়াই স্বস্তিতে চলছে ঈদযাত্রা।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া টোল প্লাজা এলাকায় দেখা গেছে, দক্ষিণবঙ্গমুখী যানবাহনের চাপ কিছুটা বেড়েছে। টোল প্লাজার সামনে সামান্য লাইনের সৃষ্টি হলেও গাড়িগুলো দ্রুত টোল পরিশোধ করে এগিয়ে যাচ্ছে। ফলে দীর্ঘ সময়ের যানজট তৈরি হচ্ছে না। 

কখনও কখনও একসঙ্গে কয়েকটি গাড়ি এসে পৌঁছালে সাময়িক চাপ তৈরি হলেও তা দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে যাচ্ছে। এমনকি কিছু সময় টোল বুথগুলো ফাঁকাও দেখা গেছে।

সকাল থেকেই পদ্মা সেতু পার হয়ে ঈদে বাড়ি ফিরছেন হাজারো মানুষ। দীর্ঘ ছুটির কারণে অনেকেই ধাপে ধাপে যাত্রা শুরু করায় সড়কে চাপ তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

যানবাহনের চাপ সামাল দিতে মাওয়া ও জাজিরা দুই প্রান্ত মিলিয়ে মোট ২১টি টোল বুথ চালু রাখা হয়েছে, যার মধ্যে অতিরিক্ত বুথও রয়েছে।

মাওয়া ট্রাফিক জোনের টিআই জিয়াউল হক জানান, পদ্মা সেতু দিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। গাড়ির সংখ্যা বাড়লেও তা সহনীয় পর্যায়ে আছে। ধাপে ধাপে যাত্রার কারণে একসঙ্গে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে না, ফলে বড় ধরনের যানজটের আশঙ্কাও নেই।

পদ্মা সেতুর সহকারী প্রকৌশলী (টোল) নাবিল হোসেন বলেন, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত টোল বুথ ছাড়াও যাত্রীদের জন্য নিরাপদ পানি, চিকিৎসা ও টয়লেটের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সকাল থেকে কিছুটা চাপ থাকলেও দুপুরে তা কমে গেছে। তবে ইফতারের পর যানবাহনের চাপ আবার বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এর আগে সোমবার (১৬ মার্চ) সন্ধ্যায় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম মাওয়া পদ্মা সেতু টোল প্লাজা পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে দেশের বিভিন্ন মহাসড়কে যানজটপ্রবণ ২৬০টি স্থান চিহ্নিত করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।

মন্ত্রী বলেন, ঘরমুখো মানুষ যাতে নিরাপদ ও স্বস্তিতে যাতায়াত করতে পারেন, সে লক্ষ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ঈদের আগে ও পরে মোট আট দিন সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় থাকবে বলে তিনি জানান।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত