অবরোধের প্রথম দিন

খুলনায় আটক-গ্রেপ্তার, ঝটিকা মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণ

আপডেট : ৩১ অক্টোবর ২০২৩, ০৬:৪০ পিএম

বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর ডাকা তিন দিনের অবরোধের প্রথম দিনে মঙ্গলবার খুলনায় বড় ধরনের সংঘাত-সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি। তবে বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মী আটক-গ্রেপ্তার, ঝটিকা মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণসহ রাস্তায় টায়ারে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

খুলনা বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য সচিব মিজানুর রহমান মিলটন জানান, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মহানগর ও জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে নগরীর ফারাজীপাড়া ফুল মার্কেট এলাকার খানজাহান আলী রোডে অবরোধের সমর্থনে ঝটিকা মিছিল বের করা হয়। এ সময় পুলিশ ধাওয়া দিয়ে মিছিলটি ছত্রভঙ্গ হয়। এ সময় পুলিশ আমাদের ব্যানার কেড়ে নেয়। ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটকও করে তারা।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, গত সোমবার রাতে আরো আটজন নেতাকর্মীকে আটক করে পুলিশ। এ ছাড়া মঙ্গলবার ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে নগরীর নিরালা আবাসিক এলাকার ভাড়া বাসা থেকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে খুলনা জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ আদল ও কয়রা উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাব্বির আলম বাবুকে তুলে নিয়ে গেছে।

মিডিয়া সেল ও বিএনপির পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত ১২জনকে আটকের অভিযোগ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, অবরোধের সমর্থনে জামায়াত-শিবির নগরীতে মিছিল করেছে। মঙ্গলবার এক প্রেস রিলিজে এ তথ্য জানিয়েছে জামায়াত। এ ছাড়া দাকোপ উপজেলার কৈলাশগঞ্জ ইউনিয়নে অবরোধ সফল করার জন্য ককটেল বিস্ফোরণ ও রাস্তায় টায়ারে আগুন দিয়ে অবরোধ সৃষ্টি করে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে দাকোপ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) উজ্জ্বল দত্ত জানান, ঘটনাস্থল থেকে ৩টি ককটেল, ৬টি লোহার রড, ১৬টি বিস্ফোরিত ককটেলের কৌটা, ৩টি জালের কাঁটি ও লাল টেপ জব্দ করা হয়েছে। এ সময় কিছু আসামি পালিয়ে যায়। দাকোপ থানায় একটি মামলা হয়েছে। তবে ঘটনাস্থল থেকে ৬জনকে আটক করা হয়।

বিএনপি-জামায়াতে ইসলামীর ডাকা অবরোধের প্রথম দিন নগরীতে বাস চলাচল কম দেখা গেছে। তবে যাত্রী কম থাকায় অনেক বাস সময়মতো ছাড়েনি। খুলনা থেকে যথারীতি ট্রেন ও লঞ্চ গন্তব্যস্থলের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে। নগরীতে বাস টার্মিনাল, লঞ্চ টার্মিনাল ও ট্রেন স্টেশনে অতিরিক্ত পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়। যানবাহন চলাচলে তাদের সহায়তা করতে দেখা গেছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত